11

ভালোবাসা এতো অদ্ভুতও হয় ১০

-কলেজ ক্যাম্পাসের কৃষ্ণচূড়া গাছটার ওখানে কোয়েল রা চার জনেই বসে বসে কয়েক টা ইটের ছোট ছোট টুকরো নিয়ে কি সব খেলছে,, ঠিক তখনিই ওখানে শুভ্র এসে হাজির,, শুভ্র কে দেখে ওরা চারজনেই দাঁড়িয়ে পড়লো,,

অনু-- ককি ব্যাপার শুভ্র দা তুমি এখানে,,

-- অনুর কথায় শুভ্র দুই পকেটে হাত দিয়ে বললো

শুভ্র-- এতো তোতলাচ্ছো কেনো?

অনু-- ককোই না তো আমি কোথায় তোতলাচ্ছি,,

শুভ্র-- এমন করছো কেনো,, যেনো মনে হচ্ছে তুমি চুরি করে ধরা পড়ে গেছো,,

দোলন-- না না শুভ্র দা,, তেমন কিছু নয়,, তুমি বলো না কি জন্য এখানে এসেছো,,

শুভ্র-- আমার ওর (কোয়েল) সাথে কিছু কথা আছে,

-- শুভ্রর কথায় চার জনেই আঁতকে উঠে,,

চাঁপা-- ওওওর সাথে কি কথা তোমার শুভ্র দা,,

শুভ্র-- সেটা নাহয় ওকেই বলবো,, এই যে মিস(কোয়েল) এইদিকে আসুন,, আপনার সাথে কিছু কথা আছে,,

-- শুভ্রর কথায় কোয়েল দাঁড়িয়ে পড়লো,, আতঙ্কে কোয়েল কাঁপছে,, দুই হাতে নিজের জামা খাঁমচে আস্তে আস্তে শুভ্রর সামনে এসে দাড়ালো,,

কোয়েল-- হ্যা ববলুন কি বলবেন,,

শুভ্র-- আমি শুনলাম তুমি নাকি পড়াশোনার খুব মেধাবী,,

কোয়েল-- ,,,,,,,,

শুভ্র-- গুড,, তোমাকে একটা কাজ দিচ্ছি,, সেটা করতে হবে,,

কোয়েল-- ক্ ক্ কি কাজ

শুভ্র-- তোমাকে এই মেয়েটাকে খুঁজে বের করতে হবে,,

--শুভ্র ওর ফোন থেকে একটা ফটো বের করে কোয়েল কে দেখালো,, ছবিটা দেখে কোয়েল থ হয়ে গেল, ভয়ে ওর হাত পা কাঁপতে লাগলো,,

শুভ্র-- এই মেয়েটা তোমাদেরই ক্লাসমেট,, কারণ এর আগে এই মেয়েটাকে কেও কখনো দেখেনি,, সো আমার মনে হয় তুমি এই মেয়েটাকে খুঁজতে পারবে,,

কোয়েল-- আ আ আমি ককি ভাবে,,

শুভ্র-- You have to see that,, কিন্তু যেভাবেই হোক তোমাকে এই মেয়েকে খুঁজে বের করতেই হবে,, At any cost,, আমি তোমাকে ওর ফটোর কপি দিচ্ছি,,

কোয়েল-- কিন্তু আমি কিকরে মানে,, আমি তো এই মেয়েকে চিনিইনা,, আর আমার মনে হয় না যে এই মেয়েকে আমি কখনো দেখেছি,,

শুভ্র-- as soon as possible,, but আমার ওকে চাই,,

কোয়েল-- কিন্তু আমি কিভাবে,,,

-- কথা শেষ করার আগেই শুভ্র ওখান থেকে চলে গেল,,

কোয়েল-- এখন কি হবে,,

অনু-- আমার তো কিছুই মাথায় ঢুকছে না,,

কোয়েল-- আমি নিজেই নিজেকে কিভাবে খুজবো,,

দোলন-- দেখ,, শুভ্র দা যে তোকে কখনো দেখিনি এটা তো কনফার্ম,, তাই এটা নিয়ে ভয় পাওয়ার কিছু নেই,, আমাদের যেই ভাবেই হোক শুভ্র দা কে এটা সেটা বুঝিয়ে ব্যাপারটা কাঁটাতে হবে,,

কোয়েল-- তাছাড়া আর কোনো রাস্তা নেই,,

অনু-- ভয় পাস না কিছু হবে না,, চল বাড়ি ফিরতে হবে,,

দোলন+চাঁপা-- হুম চল,,

_____________________

আকাশ-- তুই ভাবতে পারছিস,, যে শুভ্র যদি জানতে পারে যে ওর মায়াপরি আর কেও না,, কোয়েল!

অর্ক-- ইনফিউচার কি হবে সেটা জানি না,, কিন্তু এটা সিওর এতো কিছুর পর কোয়েল কখনোই শুভ্রকে ক্ষমা করবে না,,

আরিয়ান-- শুভ্র কে তোরা ভালো করেই চিনিস,, ও যখন কোনো জিনিস চাই সেটা ও যে ভাবেই হোক নিজের করে ছাড়বে,, সেখানে কোয়েল তো ওর মায়াপরি,, যাকে ও গত সাড়ে চার বছর ধরে খুঁজছে,, কোয়েল কে ও ছাড়বে না,,

অর্ক-- কিন্তু কোয়েল যা জেদি তাতে তো ও কখনোই শুভ্র কে মেনে নেবে না,,

আকাশ-- আর তোরা হয়তো জানিস না আমাদের কলেজের রণাক স্যার কে কোয়েল লাইক করে,, আর ওদের দুজনের পরিবার ও চাই ওদের বিয়ে দিতে,,

আরিয়ান-- সে যাই হোক,, কিন্তু শুভ্র যদি একবার কোয়েলের খোঁজ পাই তো যেভাবেই হোক কোয়েল কে নিজের করবেই,,

আকাশ-- সে ও যা ইচ্ছে করুক,, কিন্তু আমরা ভুলেও কোয়েলের খবর ওকে দিতে পারবো না,,

অর্ক-- এটা কি বলছিস তুই,, শুভ্র আমাদের বন্ধু,, আর তুই জানিস ও কোয়েল কে কতোটা চাই,,

আকাশ-- কিন্তু শুভ্র কোয়েলের সাথে যেটা করছে সেটা কি ঠিক,, দেখ,, কোয়েল আমাদের দাদা বলেছে,, সেখানে ওর দাদা হয়ে আমরা ওকে আগুনে ঠেলে দিতে পারি না,,

আরিয়ান-- কিন্তু শুভ্র তো একদিন না একদিন ঠিকই জানতে পারবে,,

আকাশ-- জানলে জানুক,, ও ওর মতো করে যা করার করুক,, আমরা ওকে বাঁধা দিবো না,, ওর ভালোবাসার জোরে ও কোয়েল কে খুঁজে নিক,,, কিন্তু কোয়েল কেও আমরা কিছু বলবো না,, দুজন যা ইচ্ছে করুক,, ওদের যদি ভাগ্যে লেখা থাকে যে ওরা এক হবে তো হবেই,,

অর্ক-- তোর কথায় লজিক আছে,,

আরিয়ান-- আচ্ছা তাহলে তাই হোক,,

______________________

আয়ুশ-- আরে শুভ্র দা তুমিও না,, সামান্য একটা মেয়েকে খুঁজতে পারছো না,,

শুভ্র-- তোর কাছে যতোটা সহজ মনে হয় ততোটাও সহজ নয় ব্যাপার টা,,

আয়ুশ-- আরে তুমি দেখো ঠিক খুঁজে পাবে,, আচ্ছা আমি যে তোমাকে বললাম দিভাই কে বলতে,, বলেছো

শুভ্র-- তোর কথা শুনে তোর দি ভাই কে তো বললাম

আয়ুশ-- তাহলে হয়তো পেয়ে যাবে চিন্তা করো না,,

শুভ্র-- তোর দিভাই খুঁজবে আমার মায়াপরি কে তাহলেই হয়েছে,,

আয়ুশ-- কেনো কেনো,, দি কেনো খুঁজবে না,,

শুভ্র-- সে সভ ছাড়,, তুই বল তোর খবর কি,,

আয়ুশ-- আমার কথা ছাড়ো তুমি বলো,, তুমি প্রত্যেক সপ্তাহে একদিন করে কোলকাতা থেকে আমার সাথে দেখা করার জন্য এখানে আসো কেনো,,

শুভ্র-- কেনো জানিনা মনে হয় এখানেই আমি আমার মায়াপরি কে পাবো,, আর তোকেও খুব মিস করি রে,, তাই চলে আসি,, আচ্ছা তোর কোনো ফোন নেই,,

আয়ুশ-- না,,

শুভ্র-- কেনো,,

আয়ুশ-- কারন দি ভাই বলেছে, আমি এখনো ছোট আরেকটু বড়ো হও তারপর তোমাকে ফোন দেবো,,

শুভ্র-- এই তোর দিদি টাও না,, আচ্ছা আমি তোকে একটা ফোন দিচ্ছি,, তাহলে রোজ তোর সাথে কথা হবে,,

আয়ুশ-- সত্যিই তুমি আমাকে ফোন দেবে,,

শুভ্র-- হুম,, এই নে তোর ফোন,,

-- শুভ্র আয়ুশের হাতে একটা ফোনের বক্স দিল,,

আয়ুশ-- ওয়াও,, কি সুন্দর, (বক্স টা খুলে)

শুভ্র-- সিম কার্ড ও সেট করে দিয়েছি,, তোর যখন যখন মন চাইবে তখন তখন আমাকে ফোন করবি,,

আয়ুশ-- আচ্ছা,, তাহলে এখন বাড়ি যায়,,

শুভ্র-- আচ্ছা যা,,

-- আয়ুশ গাড়ি থেকে নেমে চলে গেল,, শুভ্রও নিজের গাড়ি নিয়ে চলে গেল,,

______________________

এক সপ্তাহ পর নিজের ঘরে বসে আয়ুশ শুভ্রর দেওয়া ফোনে গেমস খেলছিস,, ঠিক তখনিই  কেও এসে ফোন টা কেড়ে নিল,, আয়ুশ ভয়ে ভয়ে মাথা তুলে দেখলো কোয়েল দাড়িয়ে আছে,,

কোয়েল-- ফোন কোথায় পেলি তুই,,

আয়ুশ-- আআআসল দি,,

কোয়েল-- যেটা জিজ্ঞেস করছি তার উত্তর দে,,

আয়ুশ-- শুভ্র দা দিয়েছে,,

কোয়েল-- আর তুই নিয়ে নিলি,,

আয়ুশ-- ,,,,,,,

কোয়েল-- কবে দিয়েছে তোকে ফোন টা,,

আয়ুশ-- এক সপ্তাহ আগে,,

কোয়েল-- এক সপ্তাহ ধরে তুই,, এই শিক্ষা দিয়েছি তোকে এতো দিন,,  সামনে তোর বোর্ড এক্সাম আর তুই,,, কিছু বলার নেই তোকে,, যা ইচ্ছে হয় কর,,

-- বলেই কোয়েল ঘর থেকে বেড়িয়ে যাবে তখনিই আয়ুশ ওর হাত ধরে বললো

আয়ুশ-- আর হবে না দি,, প্লিজ রাগ করিস না,,

কোয়েল--,,,,,,,,,,,

আয়ুশ-- দি প্লিজ তুই যা বলবি তাই করবো,,

কোয়েল-- ফোন টা ফেরত দিয়ে আসবি তাহলে,,

আয়ুশ-- আচ্ছা তাই হবে,, কিন্তু শুভ্র দা এক সপ্তাহ পরে আসবে বলেছে,,

কোয়েল-- সেই এক সপ্তাহ পরেই ফেরত দিবি,,

আয়ুশ-- আচ্ছা তাই হবে কিন্তু প্লিজ তুমি রাগ করে থেকো না,, প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ

কোয়েল-- আচ্ছা ঠিক আছে,, চল এখন ফোন টা রেখে আয় খেতে,,

আয়ুশ-- আচ্ছা ঠিক আছে,

__________________

শুভ্র-- এই মিস হুয়াটএভার,,

-- ক্যাম্পাসের কৃষ্ণচূড়া গাছের তলায় বসে বসে গল্প করছিস কোয়েল রা চারজন,, তখনি ওখানে শুভ্র এসে কথাটা বললো

কোয়েল-- হ্যা বলুন,,

শুভ্র-- খোঁজ পেলে কোনো,,

কোয়েল-- এই সাদা বিল্লু কে কি করে বলবো যে আমিই সেই মেয়ে,, (বিড়বিড় করে) নাহ্ এখনো খোঁজ পাই নি,,

শুভ্র-- যতো তাড়াতাড়ি সম্ভব খুঁজে বার করো,,

-- শুভ্র ওখান থেকে চলে গেল,,

কোয়েল-- যতো তাড়াতাড়ি সম্ভব খুঁজে বার করো,, (ব্যাঙ্গ করে,, পারলে নিজে খোঁজ না,,‌

______________________

শুভ্র-- আর কতো সময় লাগবে ওকে খুঁজতে,,

ফোনের ওপাশে--,,,,,,,,,,,,,,

শুভ্র-- ২ দিন সময় দিচ্ছি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ওকে খুঁজে বার কর,,

ওপাশে--,,,,,,,,,

শুভ্র-- গুড,,

-- শুভ্র ফোন টা কেটে দিয়ে সুইমিং পুলের কাছে চলে গেল,, তারপর পুলে নেমে গেলো,, ১ ঘন্টা পর পুল থেকে নেমে চেঞ্জ করতে গেলো,, আজকে ও বর্ধমানে যাবে আয়ুশের সাথে দেখা করতে,, একটা সাদা শার্ট আর ব্ল্যাক প্যান্ট পড়ে গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে গেলো,,

_______________________

শুভ্র-- কি ব্যাপার বল তো,, তুই এরকম চুপসে আছিস কেনো,,

আয়ুশ-- আসলে শুভ্র দা,,

শুভ্র-- কি তখন থেকে আসলে নকলে বলছিস,, যা বলবি বলে ফেল,,

আয়ুশ-- তোমার ফোন টা তুমি ফেরত নাও,, (ফোন টা বের করে)

শুভ্র-- what,, হঠাৎ কি হলো,, (ভ্রু কুঁচকে)

আয়ুশ-- দিভাই বারন করেছে,, বলেছে সামনে তোর বোর্ড এক্সাম

শুভ্র-- তোর দিদিও না,, সব সময় বেশি বেশি করে,, আরে আমিও তো ক্লাস এইট এ থাকতে ফোন ইউজ করতাম,, তাও আমার সবসময় 90-95% হয়ে যেতো,,যে পড়বে সে এমনিই পড়বে,,

আয়ুশ-দি যেহেতু বারন করেছে,, আমি দি এর কথা ফেলতে পারবো না,, তুমি ফেরত নিয়ে নাও,,

শুভ্র-- তুই ও না,, আচ্ছা দে,, কিন্তু বোর্ড এক্সামের পরে কিন্তু ফোন টা নিতে হবে,,

আয়ুশ-- হ্যা দিদি ভাই ও বলেছে,, বোর্ড এক্সাম হয়ে গেলে আমাকে ফোন কিনে দেবে,, দিভাই ওর স্কলারশিপ এর টাকাই,,

শুভ্র-- তোর দিভাই কে কিনে দিতে হবে না,, তুই যদি 95% পাস তো আমি তোকে ল্যাপটপ গিফট করবো,,

আয়ুশ-- আরে না না,, ল্যাপটপ তো দিভাই এর আছেই,, অনিক দা ভাই দি কে ওর ১৮ তম জন্মদিনে দিয়েছিল,, কারন দিভাই এর পড়াশোনা করার জন্য লাগতো তাই,,

শুভ্র-- তোর দি ভাই এর থাকলো তো কি হয়েছে ওটা তো ও ইউজ করবে,,আমি তোর জন্য আলাদা কিনে দিবো,,

আয়ুশ-- কিন্তু শুভ্র দা,,

শুভ্র-- no more arguments

আয়ুশ-- আচ্ছা ঠিক আছে,, এই নাও তোমার ফোন,,

-- আয়ুশ ফোন টা শুভ্রর হাতে দিলো,,

আয়ুশ-- আজ তাহলে বাড়ি যায়,, দিভাই কে বলে আসিনি,, তখন আমাকে খুঁজবে,,

শুভ্র-- আচ্ছা যা তাহলে,,

--কথাটা বলেই শুভ্র ফোন টা হাতে নিলো,, আর আয়ুশ গাড়ি থেকে বেরিয়ে যেতে গিয়ে জামাটা আটকে গেলো গাড়ির দরজায়, আয়ুশ খুলতে পারছে না,, তা দেখে শুভ্র বললো

শুভ্র-- এই কি হলো তোর,,

আয়ুশ-- আরে জামাটা আটকে গিয়েছে খুলতে পারছি না,,

শুভ্র-- একটু স্থির ভাবে চলতে পারিস না,, আচ্ছা দাড়া আমি খুলে দিচ্ছি,,

-- কথাটা বলেই শুভ্র ঝুঁকে গাড়ির দরজা টা খুলতে গিয়েই  সিটের উপরে আয়ুশ কে দেওয়া ফোনে চাপ লেগে হঠাৎ গান বাজতে লাগলো,, শুভ্র দরজাটা খুলে দিয়ে বললো

শুভ্র-- যা এবার,,

-- কথাটা বলেই শুভ্র সিটের ওপর থেকে ফোন টা তুললো,, গানটা বন্ধ করার জন্য,, যেই সুইচ অন করলো তখনি স্তব্ধ হয়ে স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে রইলো,, ওর চারপাশে কি হচ্ছে ও বুঝতেই পারছে না,, এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে ফোনের ওয়ালপেপারে দেওয়া ফটো টার দিকে,,

আয়ুশ-- এই শুভ্র দা কি হলো তোমার,, 

-- আয়ুশের কথায় শুভ্র বাস্তবে ফিরে এলো,,

আয়ুশ-- কি হয়েছে তোমার,,

শুভ্র-- আআয়ুশ,, এএএই দিকে আয় একটু,,

-- আয়ুশ গাড়িতে উঠে বসলো আর বললো

আয়ুশ-- কি হয়েছে শুভ্র দা,, তুমি হঠাৎ,,

শুভ্র-- ওয়ালপেপারে তোর পাশে এই মেয়েটা কে হয় তো,,

-- ফোন টা দেখিয়ে,, আয়ুশ ফটো টা দেখে বলল,

আয়ুশ-- আরে এই তো আমার দিদি,,

শুভ্র-- ততোর কটা দিদি,,

আয়ুশ-- আমার তো একটাই দিদি,, কি হয়েছে বলো তো,,

শুভ্র-- তোর আর কোনো দিদি নেই,,

আয়ুশ-- আর দিদি,, হুম্,, হ্যা আছে তো পিপির মেয়ে,, কবিতা দি,, ওতো তোমাদের কলেজেই পড়ে,,

শুভ্র-- দেখতে কেমন বল তো,,

আয়ুশ-- দেখতে ভালোই,, চশমা পড়ে,, কিন্তু কবিতা দিভাই এর ডাস্ট এলার্জি থাকাই গালে লাল‌ লাল কিসব আছে,, ডাক্তারে বলেছে দিভাইকে যে বাইরে রাস্তায় বেরোলে মুখে স্কার্ফ দিয়ে বা কোনো কাপড় পড়ে বেরোতে,, কিন্তু তুমি হঠাৎ এইসব জিজ্ঞাসা করছো কেনো বলো তো,,

--শুভ্র মন দিয়ে কিছু ভাবলো তারপর আয়ুশ কে বললো,,

শুভ্র-- নাথিং,, এখন তুই বাড়ি যা,,

আয়ুশ-- আচ্ছা বাই,,

--বলেই আয়ুশ চলে গেল,, আর শুভ্র ও গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে গেলো,,

ক্রমশঃ

আমার গল্প হয়তো অনেক জায়গায় বা

নান‌ ভুল আছে,, আবার এক লেখার জায়গায় উল্টো লেখাও আছে,, দয়া করে কেও কিছু মনে করবেন না,, টাইপিং মিসটেক এর জন্য হয়েছে, আমি গল্প লেখার পরে আর রিচেক করি না,,

Write a comment ...

Write a comment ...