06

ভালোবাসা এতো অদ্ভুতও হয় ৫

এইদিকে শুভ্র নিজের ফ্ল্যাটে ফিরে শাওয়ারের নিচে দাঁড়িয়ে ভিজতে লাগল,, এই ফ্ল্যাট টা শুভ্রর নিজের ফ্ল্যাট,, ওর ১৬ তম জন্মদিনে ওর দাদু ওকে এই ফ্ল্যাট টা কিনে দিয়েছিল,, ফ্ল্যাট টা ডুপ্লেক্স উপরে তিনটে ঘর বেশ বড়ো বড়ো,, ঘরের সামনে মাঝারি সাইজের কড়িডোর,, নিচে দুটো ঘর,, একটা রান্না ঘর,, ড্রয়িংরুম,, আর একটা জিম করার জন্য বিশাল এক ঘর,,এক সাইডে উপরে যাওয়ার সিঁড়ি,, কোন এক বিশেষ কারণে শুভ্র ওর নিজের বাড়িতে,ওর মা বাবার সাথে থাকে না,, কিন্তু ছোট্ট বোন আর  ঠাম্মির কথায় মাঝে মাঝে ওই বাড়িতে যায়,, কিন্তু ওর মা বাবার সাথে ঠিক করে কথা বলে না,, এই নিয়ে ওনাদের দুঃখের শেষ নেই,, কিন্তু শুভ্রর অবহেলার পিছনে ওনাদেরই অবদান সবথেকে বেশি,, শাওয়ার নিয়ে শুভ্র বেরিয়ে আসলো,, এসে বিছানায় গিয়ে শুয়ে পড়ল,, চোখ বন্ধ করতেই হঠাৎ একটা মেয়ের চেহারা ভেসে উঠলো ওর সামনে,, মেয়েটা বৃষ্টির মধ্যে দাঁড়িয়ে বৃষ্টিকে দুই হাত প্রসারিত করে উপভোগ করছে,, আর খিলখিল করে হাসছে,, শুভ্র চোখ বন্ধ করেই মুচকি হাসলো,, আর বলল

শুভ্র-- কবে তোমাকে পাবো জান পাখি,, আমি যে তোমার প্রণয়ে জড়িয়ে গেছি,, কবে তুমি আমার দহনে সিক্ত হবে,,  আমার মনে দহন লাগিয়ে তুমি পালিয়ে যাবে সেটা তো আর হতে পারে না,, তোমাকে যে আমার প্রণয়ে সিক্ত হতেই হবে,, সেটা তুমি চাও বা না চাও,,

--বলেই শুভ্র বিছানা ছেড়ে উঠে গেলো,, তারপর একটা ব্ল্যাক শার্ট আর ব্ল্যাক প্যান্ট পড়ে গায়ে একটা ব্ল্যাক জ্যাকেট জড়িয়ে বাইকের চাবি নিয়ে চলে গেল,,

_____________________

কিছুদিন পর,, কোয়েল নিজের ঘরে বসে পড়াশোনা করছিল,, আজকে বাড়িতে ও আর আয়ুশ একাই আছে,,ওর বাবা মা ঠাম্মি দাদু রণাক দের বাড়ি গিয়েছে,, সন্ধ্যার মধ্যেই ফিরে আসবে,, আয়ুশ বাইরে ক্রিকেট খেলতে গিয়েছে,, হঠাৎ কোয়েলের ফোনে একটা আননোন নাম্বার থেকে ফোনকল আসে,, কোয়েল বই রেখে ফোন টা তুলে বললো

কোয়েল-- হ্যালো,, জি কে বলছেন,,

ব্যাক্তি-- আপনি কি আয়ুশের দিদি,,

কোয়েল-- জি হ্যা,, কিন্তু আপনি কে,,

ব্যাক্তি-- কাইন্ডলি ,,,,, হসপিটালে চলে আসুন,,

কোয়েল-- কক,কেনো,, আআআয়ুশ ঠিক আছে তো,,

ব্যাক্তি-- ডোন্ট বি প্যানিক,, হিজ অল রাইট,, একচুয়ালী সাইকেল থেকে পড়ে গিয়ে পায়ে চোট পেয়েছে,,, তাই ওকে হসপিটালে নিয়ে আসা হয়েছে

কোয়েল-- আচ্ছা আচ্ছা আপনি দাঁড়ান আমি এখুনি আসছি,,

-- ফোন কেটে তাড়াতাড়ি গায়ে একটা ওরনা জড়িয়ে মুখে স্কার্ফ জড়িয়ে চশমা পড়ে টাকার ব্যাগ আর স্কুটির চাবি নিয়ে বেড়িয়ে পড়লো,, প্রায় ২০ মিনিট পর কোয়েল হসপিটাল টার সামনে এসে দাড়ালো,, তারপর কোন রকমে স্কুর্টি টা পার্ক করে,, ভিতরে ঢুকে গেল,, ওখানে গিয়ে রিসেপশনিস্ট এর কাছে জিজ্ঞাসা করতেই বলে দিলো,, ফ্রাস্ট ফ্লোরের ২৩ নং কেবিন,, কোয়েল দৌড়ে ফ্রাস্ট ফ্লোরে গিয়ে ২৩ নং কেবিনের দরজা ঠেলে ভিতরে ঢুকে দেখলো আয়ুশ কেবিনের বেডে শুয়ে আছে,, হাতে আর পায়ে ব্যান্ডেজ করা,, কোয়েল দৌড়ে গিয়ে ওর ভাইকে জড়িয়ে ধরলো, তারপর ছেড়ে দিয়ে বললো,,

কোয়েল-- দেখে সাইকেল চালাতে পারিস না,, আজ যদি তোর কিছু হয়ে যেতো,, তখন কি হতো বলতো,, (কান্না গলায়)বাড়ি চল একবার তোর সাইকেল চালানো বের করছি,,

আয়ুশ-- উফ দি,, তুমিও না,,

কোয়েল-- কি দি দি করছিস,, আজ যদি কোন পড়ো কিছু হয়ে যেতো তখন কি হতো,,

আয়ুশ-- কিছুই হতো না,, তুমি তো আমার সঙ্গে আছো,, যতো দিন তোমার ভালোবাসা আমার সঙ্গে আছে,, আমার কিচ্ছু হবে না,,

কোয়েল-- খুব পাকা পাকা কথা শিখেছিস,, কি করে দিভাই কে শান্ত করা যায় ভালোই যানিস,,

আয়ুশ-- তারমানে তুমি আর রেগে নেই তাই তো,,

কোয়েল-- তুই আমার জীবন,, আর কেও না জানুক তুই ভালো করেই যানিস,, তোর কিছু হয়ে গেলে আমি তো মরেই যেতাম,, আজ থেকে তোর সাইকেল চালানো বন্ধ,,

আয়ুশ-- দি প্লিজ,,

কোয়েল-- নো মোর আর্গুমেন্ট,,

আয়ুশ-- দি,ইইইই প্লিজ,, এমন করো না,, আমার ভালো দি,, আমার সোনা দি

কোয়েল-- একদম তেল দিবি না,, আজকে তোর এই ইমোশনাল ড্রামাই আমি গলছি না,,

আয়ুশ-- তুমি কি বরফ যে গলে যাবে,,

কোয়েল-- আয়ুশ,,,,

আয়ুশ-- আচ্ছা আচ্ছা স্যরি আর বলবো না,, কিন্তু তুমি প্লিজ মা বাপি কে কিছু বলবে না,, নাহলে খুব মার খাবো,,

কোয়েল-- মার খাওয়ার কাজ করলে তো মার খাবিই,, আমারও তোকে দুই চড় দিতে মন চাইছে,,

আয়ুশ-- আহ্হ্হ্হ্

কোয়েল-- কককি হয়েছে ভাই,, কোথায় অসুবিধা হচ্ছে,, আমাকে বল,,আআআমি আমি এখনি ডাক্তার কে ডাকছি,, (উদ্বিগ্ন হয়ে)

আয়ুশ-- কিছু হয়নি আমার,, আমি এমনিই প্র্যাঙ্ক করছিলাম তোমার সাথে,,

কোয়েল-- বদ ছেলে,, তুই জানিস তো আমি তোর বিষয়ে কতোটা সেনসেটিভ তাও এমন করছিস,,

আয়ুশ-- আচ্ছা আচ্ছা স্যরি আর হবে না,, প্লিজ রাগ করো না,, এই দেখো কান ধরছি,,

--আয়ুশের কির্তি থেকে কোয়েল হেসে আয়ুশ কে জড়িয়ে ধরলো,, ওদের এই খুনশুটি সব সেই ব্যাক্তিটি দেখছে,, দরজায় দাঁড়িয়ে,, আয়ুশ ব্যাক্তি টাকে দেখে বললো

আয়ুশ-- আরে শুভ্র দা দাঁড়িয়ে আছো কেন এসো,, দি এই হচ্ছে শুভ্র দা,, আর শুভ্র দা এই হচ্ছে আমার দিভাই,,

-- শুভ্র কোয়েল দুজন দুজনকে দেখে অবাক হয়ে গেলো,,  কিন্তু অবাকের রেশ কাটিয়ে কোয়েল বললো,,

কোয়েল-- ধন্যবাদ আপনাকে আমার ভাইকে সেফ করার জন্য,,

শুভ্র-- ওয়েলকাম,,

--কিছুক্ষণ পরেই একজন নার্স এসে বললো

নার্স-- পেসেন্ট কে ডিসচার্জ করা হবে,, আর ওনার পেমেন্ট সাড়ে তিন হাজার,,

--শুভ্র নিজের পকেট থেকে পার্স বের করে টাকা দিতেই যাবে তখনি কোয়েল ওনার হাতে টাকা দিয়ে বললো

কোয়েল-- এই নিন,, আর ধন্যবাদ,,,

-- কোয়েল কে টাকা দিতে দেখে শুভ্র নার্স কে ইসারায় বললো টাকা টা নিয়ে নিতে,, নার্স টা টাকা টা নিয়ে চলে গেল,,

কোয়েল-- এই অবস্থায় তুই স্কুটিতে বসে যেতে পারবি,, নাহলে আমি কাকাই কে ফোন করে বলছি আসতে,

শুভ্র-- তুমি চলে যাও আমি ওকে পৌঁছে দিবো,,

কোয়েল--, আরে আপনি কেন,,

শুভ্র--নো মোর ওয়ার্ড যা বলছি তাই কর,

--কোয়েল আর কিছু বললো না,, এমনিতেই ও কৃতজ্ঞ শুভ্রর প্রতি,, তাই সে এড্রেস বলে দিলো,, দুইজন ওয়ার্ডবয় এসে আয়ুশ কে ধরে শুভ্রর গাড়িতে বসিয়ে দিল,, কোয়েল স্কুটি নিয়ে গাড়ির পিছনেই আসছে,, গাড়ি এসে একটা কোয়েলের বাড়ির সামনে দাঁড়ালো,, কোয়েল ওর পাড়ার দুটো ছেলেকে বলে আয়ুশ কে ভিতরে নিয়ে গেলো,,

কোয়েল-- আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ,, বাড়ির ভিতরে আসুন

-- কোয়েলের কথায় শুভ্র কিছু না বলে সানগ্লাস চোখে পড়ে গাড়ি নিয়ে চলে গেল,, এতে কোয়েলের খারাপ লাগলেও কিছু বললো না,, ও ভিতরে চলে গেলো, এখন ওর ভাইয়ের কাছে ওকে যেতে হবে,,

__________________________

পরের দিন সকালে,, রোজকার মতোই আজও কোয়েল ওর মাকে রান্নার কাজে হেল্প করে,, কলেজের জন্য রেডি হয়ে নেই,, তারপর বাড়ি থেকে বিদায় নিয়ে বেরিয়ে পড়ে,, কলেজে পৌঁছে দেখে অনু আর আকাশ (শুভ্রর ফ্রেন্ড) দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে গল্প করছে,, কোয়েল রা ওদের দিকে এগিয়ে যেতেই আকাশ ওখান থেকে চলে গেল,, কোয়েল দোলন-চাঁপা অনুর সামনে কোমড়ে হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে বলল,,

কোয়েল-- কি ব্যাপার হুম,,ওই ছেলেটার সাথে তোর এতো কি কথা,, (ভ্রু নাচিয়ে)

দোলন-- এই ছেলেটা শুভ্রর ফ্রেন্ড না,,

চাঁপা-- অনু তুই এই ছেলেটার সাথে কেনো কথা বলছিলিস,, ছেল টা নিশ্চয় কোনো বদ মতলবে এখানে এসেছিল,,

অনু-- আরে তোরা ওকে যেমনটা ভাবছিস ও মোটেও তেমন নয়,,

কোয়েল-- তাহলে কেমন শুনি,,

অনু-- আকাশ খুব ভালো ছেলে,,

কোয়েল-- এ বাবা তুই তো দেখছি ছেলেটার নামও জানিস,, আর কি কি যানিস ওর ব্যাপারে,,, আমাদের ও বল আমরাও একটু যানি

-- কোয়েলের কথার মাঝেই পিছন থেকে কেউ বলে উঠল,,

অর্ক-- আরো অনেক কিছুই যানে,, আফটার অল আর কিছুদিন পর ওই বাড়ির সদস্য হতে যাচ্ছে,,

--কোয়েল রা পিছনে ফিরে দেখলো,, অর্ক, আরিয়ান দাঁড়িয়ে আছে,, ওরা কোয়েল দের সামনে এসে দাড়িয়ে বললো,,

আরিয়ান-- কি B.M (অনু)অর্ক ঠিক বলল তো

--আরিয়ানের কথা শুনে কোয়েল ভ্রু কুঁচকে অনুকে জিজ্ঞাসা করল,,

কোয়েল-- ওরা এইসব কি বলছে অনু,,

অনু-- আসলে,,

দোলন-- আসলে নকলে বাদ দিয়ে বল,,

-- অনু ইতঃস্তত করতে লাগলো,, তা দেখে অর্ক বললো

অর্ক-- থাক তোমাকে আর বলতে হবে না আমি বলছি,,

আসলে অনু আর আকাশ কমিটেড,,

তিনজনেই--কি!

--অর্কর কথা শুনে ওরা তিনজনই শক্ট,,

অর্ক-- হ্যা, ওদের তিন মাস আগেই এঙ্গেজমেন্ট হয়ে গিয়েছে,,,

কোয়েল-- অনু এতো বড়ো কথা তুই আমাদের থেকে লুকিয়ে গেলি,,

অনু--স্যরি আসলে,,

আরিয়ান-- ওর কোনো দোষ নেই,, আসলে আমরা নিজেও জানতাম না,,

অনু-- স্যরি ইয়ার,, আসলে ব্যাপারটা এতো তাড়াতাড়ি হয়ে গিয়েছে যে,, আমি আমি নিজেও ব্যাপারটা মেনে নিতে পারছিলাম না,, হুট করেই একদিন আকাশের পরিবার এসে আশির্বাদ করে চলে গেলো,, আর আকাশের পরিবারের সাথে আমার অনেক দিনের সম্পর্ক,, তাই আর কেউ না করেনি,, আমাকেও জিজ্ঞাসা করেছিল,, যেহেতু আমি কোনো রিলেশনে ছিলাম না তাই আর না করিনি,,বাবা তো আর আমাকে যার টার হাতে তুলে দিবে না,, কিন্তু মন থেকে মেনে নিতে আমার সময় লেগেছিল,, আর এইদিকে এইসব ঘটনার জন্য ভয়ে তোদের জানাই নি,, স্যরি,,

কোয়েল-- শুধু স্যরি বললে হবে না ট্রিট দিতে হবে,, --কোয়েলের কথা শুনে অনু বললো

অনু--তারমানে তোরা রেগে নোস আমার প্রতি,,

দোলন-- আরে রাগ করতে যাবো কেনো এটা তো খুব ভালো খবর আফটার অল আমাদে একটা জিজু তো হলো,,

চাঁপা-- ট্রিট চাই কিন্তু,, এখন চল ক্লাসে যেতে হবে,,

আরিয়ান-- তার আগে পরিচয় তো হয়ে নাও

চাঁপা-- অতো পরিচয় হওয়ার কি আছে,,

অর্ক-- অবস্যয় আছে,, এখন তো আমরা সম্পর্কে আত্মিয় হয়ে গেলাম,,

দোলন-- সেটাও ঠিক,,

অর্ক-- আমি সবসময় ঠিকই বলি মিস, কি যেনো আপনার নাম,,

দোলন-- জি দোলন,,

অর্ক-- ও আচ্ছা দোলন,, (ভালোবাসা নিয়ে বললো) আপনারা কি টুইন্স,,

দোলন--- জি হ্যা,, আমি ওর থেকে ১৫ মিনিট এর বড়ো,, আর ও ছোট

আরিয়ান-- আর আপনার নাম কি মিস,,

চাঁপা-- আমার নাম চাঁপা,,

অর্ক-- আর আমার নাম অর্ক আর এ হচ্ছে আমার ভাই আরিয়ান,,

কোয়েল-- পরিচয় পর্ব শেষ তাহলে আমরা এখন যাই,,

অর্ক-- তোমার নাম টা তো জানা হলো না,,

কোয়েল-- জি আমার নাম কোয়েল,,

অর্ক-- খুব সুন্দর নাম,, এখন যাও নিজেদের ক্লাসে,, আমরাও যায় আমাদের যাইগায়,, বলেই ওরা চলে গেল,, কোয়েল রাও চলে গেল,,

_________________

অর্ক-- ভাই,, আমার না ওই চশমা পড়া মেয়েটাকে খুব ভালো লেগেছে,,

আরিয়ান-- ওই চাঁপার যে বড়ো দিদি সে,,

অর্ক-- হ্যা রে ভাই,, আমার না ওকে দেখার পর থেকে ভালো লেগে গিয়েছে,,

আরিয়ান-- ভাই আমার ও না ওই চাঁপা কে দেখে ভালো লেগে গেছে,,

অর্ক-- কি বলিস ভাই,,

আরিয়ান-- হ্যা রে,, আমি তো চাঁপা কে সেই যেদিন কলেজে প্রথম দেখেছি সেই দিন থেকেই ভালো লেগে গেছে,,

অর্ক-- তাহলে চল পটিয়ে নিই ওদের,,

আরিয়ান-- এদের পটাতে গেলে অনেক কষরত করতে হবে,, ওর বান্ধবীর যা তেজ,, বাপড়ে বাপ,,

অর্ক-- হাল ছাড়া যাবে না,,

শুভ্র-- কি এতো ফিসফিস করছিস তোরা,, (ভ্রু কুঁচকে)

অর্ক--কোই কিছু নাতো (থতমত খেয়ে)

শুভ্র-- কিছু না হলেই ভালো,, তোরা থাক আমি আসছি,,

আরিয়ান-- তুই আবার কোথায় যাচ্ছিস

শুভ্র-- কাজ আছে,,

অর্ক-- আচ্ছা যা,,

--শুভ্র ওদের থেকে বিদায় নিয়ে চলে গেলো,,

                      শুভ্রর ফ্ল্যাট এর ভেতরে লুক

              .                     Bedroom

          

ক্রমশঃ

আমার গল্প হয়তো অনেক জায়গায় বানান‌ ভুল আছে,, আবার এক লেখার জায়গায় উল্টো লেখাও আছে,, দয়া করে কেও কিছু মনে করবেন না,, টাইপিং মিসটেক এর জন্য হয়েছে, আমি গল্প লেখার পরে আর রিচেক করি না,,

Write a comment ...

Write a comment ...