03

ভালোবাসা এতো অদ্ভুতও হয় ২

--কোয়েল রা কবিতা দের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে চলে আসলো,, তারপর নিজেদের ক্লাসরুমের দিকে যেতে লাগলো,, সেকেন্ড ফ্লোরে আসতেই দেখলো,, ওই ছেলে আর মেয়ে গুলো সিঁড়ির কাছে দাঁড়িয়ে আছে,, আর শুভ্র বলে যেই ছেলেটা সে বসে আছে সিঁড়ির পাশে,,আর লিজা বলে যে মেয়েটা সে শুভ্রর গলা জড়িয়ে বসে আছে,,

লিজা-- শুভ্র বেইবি আয় মিস ইউ সো মাচ,,

--মেয়েটার কথা শুনে শুভ্র বললো

শুভ্র-- হুয়াই সুইটহার্ট,,

লিজা-- আমি নেক্সট উইকে অস্ট্রেলিয়াতে যাচ্ছি ওয়ান উইকের জন্য,,

শুভ্র-- ওহ,, আই সি,,

--লিজা আর শুভ্রর কথা শুনে কোয়েল দোলন কে বললো

কোয়েল-- দেখছিস কি নির্লজ্জ,, একটা শিক্ষনীয় জায়গায় এরা এদের প্রেমলীলা শুরু করেছে,,

-- কোয়েলের কথায় চাঁপা বলে উঠল

চাঁপা-- তবে যায় বলিস বান্ধবী,, ছেলেটা কিন্তু জোস,, দেখ কতো কিউট,,

কোয়েল-- ভুল বলিস নি,, ছেলেটা সত্যিই খুব সুন্দর কিন্তু,, ছেলেটার সভাব কিন্তু মোটেও সুন্দর নয়,, দেখছিস না,, কিভাবে মেয়েটার সাথে চিপকে আছে,, বড়োলোক বাবার বিগড়ে যাওয়া ছেলে,,

দোলন-- ঠিকই বলেছিস,, এতো নামকরা বিজনেস ম্যান এর ছেলে কিনা এতোটা অসভ্য,,

কোয়েল-- সবই টাকার খেলা বুঝলি,, এখন চল ক্লাসে যেতে হবে,,

দোলন-- হুম চল,

--বলেই হাঁটা দিলো সামনের দিকে,, সিঁড়ির কাছে এসে শুভ্রদের দেখেও না দেখার ভান করে ওপরে যেতে লাগলো,, ঠিক তখনি লিজা বলে উঠলো

লিজা-- হেই গার্লস,,

--লিজার কথায় ওরা তিন জনেই থেমে গেল,, তারপর লিজার দিকে তাকিয়ে বললো,,

দোলন-- জ্বি বলুন,,

নাতাশা-- এই তোমরা যানো না,, যে আমরা কারা,,

দোলন-- জ্বি,, ঠিক বুঝলাম না,,

অ্যানা-- তুমি কি বাচ্চা নাকি যে বুঝতে পারছো না,,

লিজা-- তোমরা কি আমাদের কাছে পারমিশন নিয়েছো,,

কোয়েল-- কিসের পারমিশন,,

নাতাশা-- তোমরা যানো না যে সিনিয়র দের কে আগে উইস করতে হয়,,

লিজা-- তোমরা কি নতুন এই ভার্সিটিতে,,

চাঁপা-- জ্বি,, আজকেই প্রথম আসলাম,,

লিজা-- ওও আই সি,, তারজন্যই হয়তো তোমরা এই কলেজের রুলস জানো না,

দোলন-- কেমন রুলস

লিজা-- এই ভার্সিটিতে থাকতে হলে আমাদের কথা মতো চলতে হবে,, আর আমরা যা বলবো তাই করতে হবে,, আমাদের পারমিশন ছাড়া কিছু করতে পারবে না,,

-- কোয়েল অনেক্ষণ ধরে এদের কথা শুনে যাচ্ছে,,এবার  আর না পেরে মেয়েটার কথায় কোয়েল রেগে গিয়ে কিছু বলতে যাবে তার আগেই দোলন কোয়েলের হাত খামচে ধরে,,, আর ইশারায় কিছু বলতে না করে,, কোয়েল ও চোখ বন্ধ করে নিজেকে শান্ত করে,, ঠিক তখনি লিজা কোয়েল কে উদ্দেশ্য করে বলে উঠলো

লিজা-- হেই ইউ,, তুমি কি বোকা নাকি যে এইভাবে দাঁড়িয়ে আছো,, আর এইসব কি পড়ে এসেছো,,

-- লিজার কথায় কোয়েল কিছু বললো না চুপ করে থাকলো,, তা দেখে নাতাশা নামের মেয়েটা বলে উঠল,,

নাতাশা-- তুমি কি বোবা নাকি যে কথা বলছো না,, আর এইসব কি পড়ে এসেছো ভার্সিটিতে,, একদম ব্যাহেঞ্জি টাইপের,, ওয়াক,,

--এবার আর কোয়েল নিজেকে ধরে রাখতে পারলো না,, তাই শান্ত কন্ঠে বলে উঠল

কোয়েল-- সবাই কি আর সবার মতো হয়,আমার যেটাতে সুবিধে মনে হয়েছে সেটাই পড়েছি,আর এটা একটা শিক্ষনীয় জায়গা,কোন ফ্যাশ্যান করার জায়গা নয় যে ওয়েস্টার্ন পড়ে আসবো,,

-- কোয়েলের কথায় দোলন আর চাঁপা ভয়ে জমে যায়,, আর লিজা রা তিন জনেই রেগে চেঁচিয়ে বলে উঠে,,

লিজা--- হাউ ডেয়ার ইউ,, কি বললে তুমি,,

কোয়েল-- ভুল কিছু কি বলেছি আমি,,

নাতাশা-- এই মেয়ে তুমি যানো তুমি কার সাথে কথা বলছো,,

কোয়েল-- বিশ্বাস করুন আমার জানার বিন্দুমাত্র ইচ্ছে নেই,,

-- কোয়েলের কথা অনেক্ষন থেকেই শুভ্র শুনছিল,,তাই শুভ্র এবার সিঁড়ি থেকে উঠে এসে কোয়েলের সামনে দাঁড়িয়ে বললো,,

শুভ্র-- হু আর ইউ,, তুমি কি ভুলে যাচ্ছো যে আমরা তোমার সিনিয়র,, আর সিনিয়র দের সাথে কি করে কথা বলতে হয়,, (কিছুটা রেগে)

--শুভ্রর কথায় কোয়েল কিছু বলতে যাবে ঠিক তখনি দেখে একজন টিচার ওদের দিকে আসছে,আর তা দেখে দোলন কোয়েল কে টেনে অন্যদিকে নিয়ে যেতে লাগে আর চাঁপা তারাতারি করে শুভ্রকে বলে

চাঁপা-- স্যরি ভাইয়া ও আসলে বুঝতে পারেনি,, আপনি প্লিজ কিছু মনে করবেন না,,

শুভ্র-- তোমার ফ্রেন্ড কে বলে দিবে এর পর থেকে আমাদের কথা অমান্য করলে,, তার ফল কিন্তু ভালো হবে না,,

চাঁপা-- অবস্যয় ভাইয়া,,

--বলেই চাঁপা চলে গেলো,,

লিজা-- শুভ্র বেইবি তুমি ওকে যেতে দিলে কেনো?

শুভ্র-- আরে সুইটহার্ট বাদ দাও তো ওইসব থার্ডক্লাস মেয়েদের কথা,দেখলে না,কেমন উদ্ভট লুকে ছিলো,,

লিজা-- আচ্ছা তুমি যখন বললে তখন ছেড়ে দিলাম,,

____________________

এদিকে দোলন কোয়েলের হাত ধরে লিফ্টের কাছে নিয়ে আসলো,, আসলে ওরা তখন লিফ্ট পাইনি বলে সিঁড়ি দিয়ে যাচ্ছিল,, কোয়েলকে টেনে লিফটের সামনে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়ে বললো

দোলন-- তোকে কতবার বললাম যে ওদের সাথে লাগতে যাবি না,, কেনো ওদের সাথে কথা বলতে গেলি,,

চাঁপা-- আমি বারন করেছিলাম না তোকে,,

কোয়েল-- তো কি করবো তুই দেখলি না ও কেমন করে কথা শোনাচ্ছিল তাই তো,,

দোলন-- হয়েছে,, এবার থাম,, আর কোয়েল তোকে শেষ বারের জন্য বলছি প্লিজ ওদের সাথে লাগতে যাবি না,,

কোয়েল--আচ্ছা ঠিক আছে

-- বলেই কোয়েল লিফটে উঠে পরলো,, সাথে ওরা দুজন ও,,

____________________

এবার পরিচয় দেওয়া যাক,, একটু আগে যেই ছেলেটা কথা বলছিল,সে হলো শুভ্র,পুরো নাম শুভ্র নীল চৌধুরী,বয়স চব্বিশ,গাঁয়ের রং সাদা, চিকন নাক আর ঠোঁট, উচ্চতায় প্রায় 6'2 লম্বা, দুই গালে চাপ দাঁড়ি, নিলাভ চোখ,বলিষ্ঠ দেহ,দেখতে একদম সিনেমার নায়ক এর মতো না হলেও কম না,বাবা মায়ের একমাত্র ছেলে,, ছোট্ট একটা বোন আছে নাম শুভ্রতা,, ওর বয়স আঠারো বছর,, পড়াশোনা করছে,,শুভ্রর বাবা শুভেন্দু চৌধুরী, পেশায় একজন নামকরা ব্যাবসায়ীক, মা নিলাঞ্জনা চৌধুরী, হাউজওয়াইফ,,শুভ্রর দাদুর নাম শুকান্ত চৌধুরী আর ঠাম্মির নাম সুমনা চৌধুরী,,বাকি কথা গল্পেই যানতে পারবেন,, এখন গল্পে ফেরা যাক,,

_______________________

কোয়েল রা তিন জনেই নিজেদের ক্লাস রুমে গিয়ে দেখলো,, সবাই নিজেদের মতো গল্প করছে,, কেউ কেউ আবার বই নিয়ে পড়ছে,, ক্লাসের বেশির ভাগ মেয়েরাই জিন্স-টপ পড়ে আছে,, ছেলেরাও কম না,, হাতে গোনা কয়েকটা মেয়ে শুধু শালোয়ার-কুর্তি পড়েছে,, কোয়েল রা তিন জনে গিয়ে একটা বেঞ্চ এ গিয়ে বসলো,, কিছুক্ষন পরেই ক্লাস শুরু হলো,, প্রথমে প্রিন্সিপাল এসে হাজির হলো,, যেহেতু এই ক্লাসের স্টুডেন্ট রা নতুন তাই সবার সাথে কুশলাদি বিনিময় করলো,, তারপর যথারীতি ক্লাস শুরু হলো,, খুব সুন্দর ভাবে ক্লাস শেষ হয়ে গেলো,, কোয়েল রাও বেরিয়ে এলো ক্লাস থেকে,,

_____________________

ক্যান্টিনে এসে তিনজনেই বসে পড়লো,,

দোলন-- বান্ধবী আজ ক্লাস করে যা ভালো লাগছে না,,

কোয়েল-- ঠিকই বলেছিস,, রণক স্যার কতো ভালো বল

চাঁপা--কতো সুন্দর করে পড়া বুঝিয়ে দিলো বল,,

--ওরা কথা বলতে বলতেই ওয়েটার এসে অর্ডার নিয়ে গেলো,, কিছুক্ষনের মধ্যেই ওয়েটার খাবার দিয়ে চলে গেল,, ওরা তিনজন খাবার খেতে খেতেই নানা ধরনের কথা বলতে লাগলো,,, কথার মাঝেই হঠাৎ বাইরে থেকে চিৎকার চেঁচামেচির আওয়াজ শোনা গেল,, ওরা খাওয়া ছেড়ে উঠে দাঁড়ালো

কোয়েল--বাইরে এতো হইচয় হচ্ছে কেনো,,

দোলন-- বুঝতে পারছি না মনে হচ্ছে কোনো ঝামেলা হচ্ছে,,

কোয়েল--চল তো গিয়ে দেখি,,

চাঁপা--হ্যা হ্যা চল,, চল

--ওরা তিনজনেই ক্যান্টিন থেকে বাইরে বেরিয়ে আসলো,, তারপর যেদিক থেকে আওয়াজ আসছে সেই দিকে যেতে লাগল,, ক্যাম্পাসের মধ্যে অনেক স্টুডেন্ট এর ভিড় জমে গেছে,, কোয়েল রা ভিড় ঠেলে সামনে গিয়ে দেখলো, ওই সিনিয়র মেয়ে লিজা আর তার দুই ফ্রেন্ড মিলে একটা মেয়েকে মারছে,, তা দেখে কোয়েল রা আঁতকে উঠলো কোয়েল পাশের একটা মেয়েকে জিজ্ঞাসা করল

কোয়েল--ওরা এইভাবে এই মেয়েটাকে মারছে কেনো,,

--কোয়েলের কথা মেয়েটা বলে উঠল

মেয়েটা-- আর বলো না, এই মেয়েটার সাথে শুভ্রর ধাক্কা লেগেছিল মেয়েটার ভুল করে ধাক্কা লেগেছে,, মেয়েটা ক্ষমাও চেয়েছে,, শুভ্রও ইট্স ওকে বলে ওখান থেকে চলে গেলে,, কিছুক্ষন পড়ে লিজা এসে মেয়েটাকে এইভাবে মারছে,,

--মেয়েটার কথা শুনে কোয়েল ওই মেয়েটার দিকে তাকালো যাকে লিজা মারছে,, মেয়েটার চোখ মুখ ফুলে গেছে,, গাল লাল টকটক করছে,, আর লিজা মেয়েটার চুল ধরে টেনে নিয়ে যাচ্ছে,,

লিজা-- ইউ ব্লাডি ফুল,, তুই আমার শুভ্রকে টাচ্ করেছিস তোকে আমি এমনি এমনিই ছেড়ে দিবো,, আজ তোর এমন অবস্থা করবো যে তুই সারাজীবন মনে রাখবি

-- কথাটা বলেই আর লিজা নিজের ব্যাগ থেকে একটা ধাড়ালো নাইফ বের করলো,,তা দেখে কোয়েল ওদের কাছে যেতে ধরলে,, দোলন ফট করে কোয়েলের হাত ধরে ফেলে,, হাতে টান অনুভব করতেই কোয়েল দোলনের দিকে তাকিয়ে দেখে দোলন মাথা নেড়ে যেতে বারন করেছ,, কোয়েল একবার দোলনের দিকে তাকিয়ে ওই অসহায় মেয়েটার দিকে তাকালো,,তারপর আসেপাশে তাকিয়ে দেখলো সবাই নিরব দর্শকের মতো দাঁড়িয়ে আছে,,

কোয়েল-- না কোয়েল নাহ,, এইভাবে একটা মেয়ের সাথে অন্যায় হতে দেখতে পারিস না,, ওর যায়গায় যদি তোর নিজের কেও হতো তখন,, নাহ এটা তোকে আটকাতেই হবে,, তুই কোনোভাবেই অন্যায় কে আপোস করতে পারিস না, তুই তোর বাবাই এর শিক্ষায় বড়ো হয়েছিস,,(মনে মনে)

--কোয়েল এটা বলেই দোলনের দিকে তাকালো,, দোলন কোয়েলের দিকে তাকিয়ে দেখলো,, কোয়েল চোখ ছলছল করছে,, চোখের দুই কোনা গোলাপি আঁকার ধারন করেছে,, নিচের ঠোঁট ফুলে গেছে আর কাঁপছে,, তা দেখে দোলন স্তব্ধ হয়ে গেলো,, তারপর কোয়েলের হাত ছেড়ে দিলো,,ওই দিকে লিজা ওর ওর দুই সাথি কে বললো মেয়েটাকে ধরতে,, ওরা তাই-ই করলো,, লিজা এবার ওই মেয়েটার কাছে গিয়ে ওর গাল চেপে ধরে বলতে লাগলো,,

লিজা-- এই হাত দিয়েই তো তুই আমার শুভ্র কে টাচ্ করেছিলি তাই না,, এবার তোর এই হাত আমি,,

--বলেই লিজা মেয়েটার দুই হাত একসাথে করে যেই নাইফ টা দিয়ে আঘাত করতে যাবে ওমনি কোয়েল গিয়ে লিজার হাত ধরে ফেললো,, নিজের কাজে বাঁধা পাওয়ায় লিজা রেগে কোয়েলের দিকে তাকালো,, তা উপেক্ষা করে কোয়েল লিজার হাত থেকে নাইফ টা নিয়ে নিলো,, এতে তো লিজা রেগে আগুন,,,

লিজা-- হাউ ডেয়ার ইউ,, তোমার সাহস কি করে হয় আমাকে বাঁধা দেওয়ার,,

কোয়েল-- সাহস আমার বরাবরই বেশি,,

--বলেই কোয়েল ওই মেয়েটাকে ওদের কাছ থেকে ছাড়িয়ে নিয়ে আসলো,,

লিজা--তুমি যানো আমি কে,, তোমার সাহস দেখে তো আমি অবাক হয়ে যাচ্ছি,, তুমি আমার হাত ধরেছো,,

কোয়েল-- আমি নিজের চোখের সামনে এইভাবে একটা মেয়ে কে মার খেতে দেখতে পারবো না,, আর আপনার কোনো রাইট নেই ওকে এইভাবে আঘাত করার,,

লিজা--হাউ ডেয়ার ইউ,, তোকে তো আমি,,

--বলেই কোয়েল কে মারতে গেলে কোয়েল লিজার হাত চেপে ধরে,, মুচড়ে দেয়,,

কোয়েল--এই ভুল টা ভুল করেও করো না,, নাহলে তোমার হাত আর হাতের যায়গায় থাকবে না,, আর বেশি বারাবারি করলে প্রিন্সিপাল স্যার কে কিন্তু বলতে বাধ্য হবো,, আর তুমি হয়তো যানো না যে তোমার এইসব কির্তিকলাপ সব রেকর্ড করা আছে,,

--বলেই হাত টা এক ঝটকায় সরিয়ে দিয়ে ওই মেয়েটাকে নিয়ে চলে আসলো আর লিজা ওখানে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ফুঁসতে থাকলো,, যারা এতক্ষন ওখানে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে তামাশা দেখছিল তাঁরা সবাই অবাক হয়ে কোয়েল কে দেখে যাচ্ছিল,, আবার কেও কেও তো বাহবা দিচ্ছিল,,তা দেখে তো লিজা আরো রেগে গিয়ে চিল্লিয়ে সকলের উদ্দেশ্যে বললো

লিজা--এখানে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে তামাশা দেখা হচ্ছে হ্যা,, যাও এখান থেকে সবাই,,(চিল্লিয়ে)

--লিজার চিৎকারে সবাই সেখান থেকে চলে গেলো,, নাতাশা নামের মেয়েটা লিজার কাঁধে হাত দিয়ে বললো

নাতাশা--সবার সামনে ওই মেয়েটা তোকে এতো কথা শুনিয়ে চলে গেল আর তুই চুপচাপ শুনলি

--নাতাশার কথায় লিজা নিজের হাতের দিকে তাকিয়ে বলতে লাগলো

লিজা-- তোরা ভাবলি কি করে যে আমি ওই ব্যাহেঞ্জি কে এতো সহজে ছেড়ে দেব,,, আজকের এই অপমান টা আমি কোন দিনও ভুলবো না,, এবার ওই মেয়েটার লাইফ আমি হেল করে দিবো,, (শয়তানী হেসে)

--লিজার কথায় নাতাশা আর অ্যানাও শয়তানী হাসি দিল,,

ক্রমশঃ

                         ShuvroNill Chaudhary

আমার গল্প হয়তো অনেক জায়গায় বানান‌ ভুল আছে,, আবার এক লেখার জায়গায় উল্টো

লেখাও আছে,, দয়া করে কেও কিছু মনে করবেন না,, টাইপিং মিসটেক এর জন্য হয়েছে, আমি গল্প লেখার পরে আর রিচেক করি না,,

Write a comment ...

Write a comment ...